
আপনার শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হিটারগুলোকে আরও স্মার্ট করে তোলা সম্ভব। বেশিরভাগ কারখানার হিটারগুলো পুরানো ধরনের। এগুলো শুধুমাত্র গরম বাতাস চারপাশে ছড়িয়ে দেয়; এটা অপচয়। কারণ এই গরম বাতাসগুলো ছাদের দিকে উঠে যায়, ফলে নিচে থাকা মানুষদের কোনো উপকার হয় না। কিন্তু রেডিয়েন্ট হিটারগুলো ভিন্ন। এগুলো গরমটাকে সরাসরি মানুষ ও যন্ত্রপাতিগুলোর কাছে পাঠায়—ঠিক যেমন সূর্যের আলো আমাদের ত্বকে পড়ে। কিন্তু আসল জাদুটা ঘটে যখন আপনি ম্যানুয়াল সুইচ ব্যবহার করা বন্ধ করে স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম ব্যবহার শুরু করেন। দূর থেকে হিটারটিকে চালানো ব্যাপারটা হলো: আপনি একটি বড় আকারের ইন্ডাস্ট্রিয়াল হিটারকে ছোট স্মার্ট প্লাগে সংযুক্ত করে এটাকে স্মার্ট হিটার বলে অভিহিত করতে পারেন না। এই যন্ত্রগুলো প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি আপনি এত বেশি কারেন্ট স্ট্যান্ডার্ড স্মার্ট হাবের মাধ্যমে পাঠান, তাহলে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। সমাধানটি হলো হেভি-ডিউটি রিলে ব্যবহার করা। স্মার্ট সিস্টেমকে মনে করুন “মস্তিষ্ক” হিসেবে—যা ছোট সংকেতগুলো পাঠায়; আর রিলেকে মনে করুন “পেশী” হিসেবে—যা বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজটি সম্পন্ন করে। এভাবে সেট করার পর, আপনি কর্মীরা আসার আগেই ফোন থেকেই কারখানাটিকে উষ্ণ রাখতে পারেন। তারা ভেতরে ঢুকলেই সেখানকার তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই উষ্ণ থাকবে। ফলে শিফটের প্রথম ঘণ্টায় আর ঠান্ডায় কাঁপতে হবে না। “সেট করে ভুলে যাওয়া” সমস্যা দূর থেকে হিটারটিকে চালানো ভালো, কিন্তু সারাদিন ধরে হিটারটি চালু রাখলে টাকা অপচয় হয়। “অন” বা “অফ” অবস্থার পরিবর্তে, আমরা সেন্সর ব্যবহার করে মানুষদের কাজ করার জায়গার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করি। আমরা একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করি, আর সিস্টেমটি বাকি কাজগুলো সামলায়। যদি তাপমাত্রা খুব বেশি হয়ে যায়, তাহলে সিস্টেমটি হিটারটির কার্যক্রম কমিয়ে দেয়। আর যদি তাপমাত্রা কমে যায়, তাহলে সিস্টেমটি আবার হিটারটি চালু করে দেয়। এভাবে কাজের জায়গাটিকে আরামদায়ক রাখা যায়, আর ছাদটিকে স্নানাগারে পরিণত হতে দেওয়া হয় না। এটা হলো বিদ্যুৎ অপচয় না করে বাতাসকে আরামদায়ক রাখার একটি স্মার্ট উপায়।